Thursday, November 3, 2011

হনুমান (Langur)

হনুমান (Langur) by Emad Islam
হনুমান (Langur), a photo by Emad Islam on Flickr.
Gray langurs or Hanuman langurs, the most widespread langurs of South Asia, are a group of Old World monkeys constituting the entirety of the genusSemnopithecus. All taxa have traditionally been placed in the single species Semnopithecus entellus. In 2001, it was recommended that several distinctive former subspecies should be given full species status, so that seven species are recognized. A taxonomic classification with fewer species has also been proposed. Genetic evidence suggests that the Nilgiri langur and purple-faced langur, which usually are placed in the genus Trachypithecus, actually belong in Semnopithecus. Gray langurs are large and fairly terrestrial, inhabiting forest, open lightly wooded habitats, and urban areas on the Indian subcontinent. Most species are found at low to moderate altitudes, but the Nepal gray langur and Kashmir gray langur occur up to 4,000 metres (13,000 ft) in the Himalayas.

হনুমান বা মুখপোড়া হনুমান (Langur) প্রাইমেটস (Primates) বর্গের অন্তর্গত লম্বা লেজযুক্ত বানর। বাংলাদেশে হনুমানের তিনটি প্রজাতি পাওয়া যায়। সাধারণ/ধূসর/মুখপোড়া হনুমানের বৈজ্ঞানিক নাম Semnopithecus entellus (পূর্বে নাম ছিল Presbytis entellus)। এদের দেহের রং ফ্যাকাশে-কমলা এবং নিচের দিকে কিছুটা হালকা। মাটিতে থাকা অবস্থায় এরা সাধারণত লেজ বাঁকিয়ে শরীরের উপর দিকে রাখে। প্রাপ্তবয়স্কদের ভ্র‚র পিছনে ললাটের উপর চুল বিদ্যমান। মাথাসহ দেহদৈর্ঘ্য ৫১-১০৮ সেমি এবং লেজ ৭২-১০৯ সেমি লম্বা হয়। পুরুষ ও স্ত্রী হনুমানের ওজন যথাক্রমে ৯-২১ কেজি ও ৮-১৮ কেজি হয়ে থাকে। একটি দলে ৮ থেকে ২৫টির মতো সদস্য দেখা যায়। বাংলাদেশে এরা অতি বিপন্ন এবং এদের সংখ্যা এখন দুশোরও নিচে।
কালো/চশমাপরা হনুমান/কালা হনুমানের বৈজ্ঞানিক নাম Trachypithecus phayrei (পূর্বে নাম ছিল Presbytis phayrei)। এদের পিঠ ও লেজ ধূসর-কালো কিংবা গাঢ বাদামি রঙের এবং নিচের দিকটা সাদাটে-ধূসর রঙের হয়। এদের চোখ ও মুখ ঘিরে সাদা বলয় রয়েছে। পুরুষ ও স্ত্রীর দেহদৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৫০-৫৫ সেমি ও ৪৫-৫৩ সেমি এবং ওজন যথাক্রমে ৭-৯ কেজি ও ৮-১৮ কেজি হয়ে থাকে। পুরুষ ও স্ত্রীর লেজের দৈর্ঘ্য গড়ে ৬৫-৮৬ সেমি হয়।
লাল/মুখপোড়া হনুমান/লাল হনুমানের বৈজ্ঞানিক নাম Trachypithecus pileatus (পূর্বে নাম ছিল Presbytis pileata)। কপালে পিছন ফেরানো, সোজা, লম্বা, মোটা, টুপির মতো একগুচ্ছ চুল থাকার কারণে এরা টুপিওয়ালা হনুমান নামেও পরিচিত।
এদের পিঠ ধূসর থেকে গাঢ-ধূসর রঙের, নিচের দিক ও দাড়ি বাদামি-হলুদ থেকে কমলা-লাল রঙের এবং লেজের মাঝ থেকে শেষপ্রান্ত পর্যন্ত ক্রমাম্বয়ে গাঢ রঙের হয়। পুরুষ ও স্ত্রী হনুমানের দেহের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৬৮-৭০ সেমি ও ৫৯-৬৭ সেমি, লেজ যথাক্রমে ৯৪-১০৪ সেমি ও ৭৮-৯০ সেমি এবং ওজন যথাক্রমে ১১-১৪ কেজি ও ৯-১১ কেজি হতে দেখা যায়। একটি দলে ৩-১৫ টির মতো সদস্য থাকে।

Wednesday, November 2, 2011

ভোঁদড় (Otter)

ভোঁদড় (Otter) by Emad Islam
ভোঁদড় (Otter), a photo by Emad Islam on Flickr.
The Otters are twelve species of semi-aquatic (or in one case aquatic) mammals which feed on fish and shellfish, and also other invertebrates, amphibians, birds and small mammals.
The otter subfamily Lutrinae forms part of the family Mustelidae, which also includes weasels, polecats, badgers, and wolverines.


ভোঁদড় বা ভাম কয়েক ধরণের আধা জলচর (এবং এক ক্ষেত্রে জলচর) প্রধাণত মাছখেকো স্তন্যপায়ী প্রাণী। ভোঁদড় বলতে মাস্টেলিডে (Mustelidae) গোত্রের লুট্রিনে (Lutrinae) উপগোত্রের প্রাণীগুলোকে বোঝায়, যার মধ্যে আরও আছে উদবিড়াল, নেউল বা বেজি, ব্যাজার ইত্যাদি। বাংলাদেশে ভোঁদড়ের তিনটি প্রজাতি দেখা যায় এবং ব্যাজারের একটি প্রজাতি দেখা যায়।

Tuesday, November 1, 2011

ময়ূর (Peafowl)

ময়ূর (Peafowl) by Emad Islam
ময়ূর (Peafowl), a photo by Emad Islam on Flickr.
ময়ূর ফিজিয়ানিডি পরিবারের পাভো বর্গের অন্তর্ভুক্ত ফিজ্যান্ট-জাতীয় পাখি। (বৈজ্ঞানিক নাম Pavo cristatus)। এটি ভারতের জাতীয় পাখী। রাজস্থানের বনে জঙ্গলে এরা দলে দলে ঘুরে বেড়ায়। ময়ূরের যে সুন্দর রঙ বাহার লেজ দেখা যায় তা কেবল পুরুষ পাখীদের থাকে। একে পেখম বলে।
নীল গলা ময়ূরের পাশাপাশি সাদা ময়ূর দেখা যায়। সাধারণত বনে বাস করে এবং মাটিতে বাসা বাঁধে। তবে মাঝে মাঝে লোকালয়েও দেখা যায়। বিশেষ করে সংরক্ষিত এলাকায় এরা মানুষের খুব কাছে চলে আসে। এরা সর্বভূক। চারা গাছের অংশ, কীটপতঙ্গ, বীজের খোসা, ফুলের পাপড়ি এবং ছোট ছোট সন্ধিপদ প্রাণি খায়। ডিম ফুটে বাচ্চা দেয়। ছোট বাচ্চাগুলো মুরগির বাচ্চার মতই মায়ের সাথে ঘুরে ঘুরে খাবার খায়। বিপদ দেখলেই মায়ের ডানার নিচে এসে লুকায়। ছোট বাচ্চারা মুরগির বাচ্চার মতই মায়ের পালকের আড়ালে, আবার কখনোবা পিঠের উপর লাফিয়ে ওঠে।
স্ত্রী ময়ূরকে আকৃষ্ট করার জন্য পুরুষ ময়ূর পেখম তোলে। এ কারণেই এরা অত্যন্ত আকর্ষণীয়। তবে ভারতীয় ময়ূরের মত সাদা ময়ূরের পেখমে সোনালী পালক বা নীল রংয়ের বড় ফোঁটা নেই। সাদা ময়ূর সম্পূর্ণ সাদা। স্ত্রী ময়ূরও পেখম তোলে তবে তা শত্রুকে ভয় দেখানোর জন্য। স্ত্রী ময়ূরের পেখম আকারে অনেক ছোট।